রোজী চাচীর কন্ঠস্বর অনেকখন ধরে মনে হয় এসেছে,

  

রোজী চাচী সন্ধ্যা বেলায় গোসল করেছেন মনে হয়, গরমের দিন।চাচীর চুল ভেজা দেখলাম। 

সারাক্ষন উনার গায়ে সুন্দর একটা মায়াবী ফুলের ঘান, 

আমার পরিচিত নয়। আসতে আসতে রাত দশটা বেজে গেল।

কিরে খাইছস। ?? মায় জিগ্যেস করল।


 ভাবী, সবুজ তো এই বন্ধের কয়েকটা দিন ছিলই না, আমরা সুমনরে পড়াটা দেখাইতে পারি, ওরে আমি আসা যাওয়ার খরচ আর ভার্সিটির বই কিনার টাকা দিমুনে। আমি আমার কুড়ে ঘরের ছোট্ট খুপড়িতে ঘুমিয়ে ছিলাম,আর এটা ছিল

 রোজী চাচীর কন্ঠস্বর । অনেকখন ধরে মনে হয় এসেছে, মায়ের সেলাই মেশিন এর ঘর ঘর শব্দ আর খুট খুট করে তাদের কথা আধো জাগরনে শুনছিলাম। অনেক সংগ্রাম করে আমাকে আমার পড়াশোনা করতে হচ্ছে। 


এক তো বাবা মারা গিয়েছিল আমাদের পাঁচ ভাইবোন কে রেখে, সেখানে আমার বড় ভাই এর সরকারির অফিসের কেরানীর চাকুরী ও আমার মায়ের পাড়ার বিভিন্ন

 বাসায় কাপড় শিলাই ও পোশাক বানিয়ে আর আমাদের বাড়িতে হাস মুরগী পালন হতে সামান্য ইনকাম দিয়ে আমাদের সংসার চলেছ। এহেন সংসারে তাই আমাকে চরম আর্থিক কষ্ঠে লেখাপড়া করতে হচ্ছে ক্লাসের সতীর্থ ও

 একদুই ক্লাস নীচের ছেলেদের কে পড়িয়ে টিউশনির আয় দিয়ে। ক্লাসে ফার্স্ট বয় ছিলাম, এটাই ছিল আমার মায়ের শত কষ্টের মাঝেও গর্ব।

আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল, শব্দ করে আড় মোড়া দিলাম, মনে হয় মা আমার হাই তোলা ও আড়মোড়ার শব্দ পেলেন।

সবুজ উঠছস রে ?? দেখ কেডা আইছে তর লগে কথা কইব রে।

আমি হাত দিয়ে চোখ মুছে, চোখের ময়লা আছে কিনা পরিষ্কার করে চেক শার্ট টা গায়ে চরাতে চরাতে রুম থেকে বের হলাম, লুঙ্গিপড়া আমার। আমার শার্ট পরতে দেখে মা জিজ্ঞ্যেস করল।

কিরে কই যাইবি ??

না না।

ও শরম পাইছে ভাবী। -রোজী চাচী হাসতে লাগল, আমি সালাম দিলাম, সুন্দর ফরসা পান খাওয়া মুখটা।

 মা সেলাই মেশিনের টেবিলে আর চাচী মার সামনে মোড়া নিয়া বসছে। সুন্দর ভরাট একটা শরীর সুতী আট পৌড়ে কাপড় দিয়ে ঢাকা। ভারী নিতম্ব ও চওড়া পিঠ স্পস্ট।

ওই তুই তর চাচীর পুলাডা, সুমন রে একটু দেহাইস তো। বাড়ীতে তো বলে থাকবি মাস খানেক।

সবুজ এই কয়দিন আমার পুলাডারে একটু দেখাও না, অয় এইটে পড়ে কিন্তু পড়ায় কোন মনোযযোগ নাই, খালি ফাকি মারে আর খেলা। অঙ্কে দুর্বল তুমি একটু ওরে দেখাও না।

 

কোন সময় ??

তোমার যখন সুবিধা ।

আমি তো চাচী সারাদিন টাউনে থাকি, আগের কিছু ছাত্র আছে হেগোরে দেখানো লাগে। তো আমি যদি সন্ধ্যার পরে আসি সমস্যা আছে ?? সন্ধ্যা বলতে ভালো সন্ধ্যা, বলতে পারেন আটটার মত বাজব।

কোন সমস্যা নাই।

কিরে অত রাইতে গিয়া ফিরবি কোন সময়। মা জিগ্যেস করলো।

ভাবী ওর আইতে সমস্যা হইলে সুমনের লগে রাতে থাইক্যা যাইবো। আমার এইখানে খাইবো। অয় তো আমার আরেকটা পুলার মত, বয়স ত রুমন এর চেয়েও কম।

হ হেইডাই ভালো হইবো। মা কি জানি মনে করে বলল তা আমার বোধগম্য হলো না, হয়তো আমার মা ভেবেছে এই কষ্টের মধ্যেও যদি ছেলেটা একটু ভালো খেয়ে বাড়িতে থাকতে পারে পারে। মন্দ হবে না।

তাইলে সবুজ আজকে আইসা পইর। ভাবী আমি যাই। এইবার কিন্তু গলা বড় দিবেন আর বিয়াল্লিশ কইরেন।

চাচী উঠে দাড়ানোর সময় শাড়ির আচল গায়ে টাইট করে প্যাচানোর সময় লক্ষ্য করলাম, তার ভরাট শরীরে বিশাল বড় স্তন, মনে হলো ভারে উনি নুয়ে পরবেন। এই অবস্থায় আরো টাইট করে আচল ধরে রেখেছেন, উনি কি জানেন না,

 এতে উনার স্তন কিভাবে প্রকট হয়ে ধরা পরে, আমাদের মাটির উচু বারান্দা দিয়ে নেমে যাওয়ার সময় বুকের দারুন দুলুনি দেখে নিশ্চিত হলাম উনি ব্রেসিয়ার পরেন নি, গ্রামদেশে আসলে এগুলোর চলন নাইও। তবুওত বড়লোক বাড়ীর বউ। তাহলে উনার মাপ বিয়াল্লিশ,

 দর্জিবিদ্যা মায়ের থাকার কারনে আরো গ্রাহকের সাথে কথায় কথায় জেনে বুঝতে পারি বিয়াল্লিশ কি, ওরে বাবা। এত বড় কেন ?? অথচ মহিলা খুব যে বেশী মোটা তা কিন্তু নয়, তবে সুন্দর গোল ভরাট।

 ধবধবে ফরসা না, কিন্তু বাদামী একটা গায়ের রঙ, তেলে তেলে টোন, দারুন চামড়া। আসলে রোজী চাচী আমাদের আত্মীয়ের কেউ না, এলাকার সবচেয়ে বড়লোক ও প্রভাবশালী বাড়ীর বড় বঊ। উনা

 স্বামীসহ দেবর সবাই কুয়েতে আছে আজ প্রায় দশ বছর হয়ে গেলে, বছরে বছরে একবার উনারা আসে দেশে, আর বাড়িতে টাকা পাঠায়, তাই দিয়ে আর জায়গা জমি এসবে বেশ রাজকীয় ভাবেই চলে যায় এ বাড়ির সংসার। আমি একবার কি


 দুইবার গিয়েছিলাম মায়ের বানানো ওনার ব্লাউজ, পেটিকোট ওনার দেবরের বউ এর ও কাপড় দিয়ে আসতে, দোতলা বাড়ি, গ্রামদেশ অনেক বড় বাড়ী চতুর্দিক ঘুরিয়ে। গত বছর শাজাহান চাচা মানে উনার স্বামী তাদের বড় ছেলে রুমনকেও নিয়ে গিয়েছে কুয়েতে,

 উনি সেখানে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে গেছিলেন পরে একটা কাপড় দোকান দিয়েছেন, সেটাতেই নাকি অনেক ভালো ব্যবসা হছে, ভাইদের কেউ নিয়ে গেছেন

তোর রোজী চাচীর ছোট মেয়েডা মারা গেছে শুনছিলি ? মা আমাকে জিগ্যেস করতে অবাক হয়ে বললাম

না তো ।আসলে ওনার যে কবে ছোট একটা মেয়ে হয়েছিল সেটা জেনেও হয়তো আমার খেয়াল নেই।

আহারে বাচ্চাডা পাচ মাসের আছিল, কিযে সুন্দর আছিল। ।

কিভাবে মারা গেল ?

ঠান্ডায় নাকি নিউমনিয়া হইছিল। হস্পিটালে মারা গেছে। দুইমাস হইল। হের যে একটা মেয়ের কি শখ আছিল। আল্লায় দিয়াও লইয়া গেল। মা একটা দীর্ঘস্বাস ছাড়ল।


এইবার মনে মনে বুঝলাম, চাচীর বুক বড় হওয়ার কারন। আমার শরীরে তো একটা শিহরন দিয়া উঠল।তাইলে সবসময় দুধে ভরা থাকে ।


প্রথম দিন সুমনরে দেখাইলাম, একটু দুষ্ট হলেও দারুন মেধাবী একটা ছেলে, গল্পের ছলে ছলে অঙ্ক বুঝালাম ও দেখলাম টপাটপ করে ফেলতে পারছে। রোজী চাচীও এক দুবার রুমে আসছেন, সুমনের মনোযোগ ও আগ্রহ দেখে চাচীও খুশী। আমাকে অনেক জোড়াজুড়ি করলেন, খাওয়া এবং থাকার


 জন্য। আমি শুধু রাতের খাবার টা খেলাম একসাথে তিনজনে। দেখলাম আসার সময় মা চাচীর পুরানো যে ব্লাউজগুলার সিলাই ছেড়ে একটু লুজ করে প্যাকেটে দিয়েছিল সেখান থেকে নীল ব্লাউজটা পরেছেন, 

সন্ধ্যা বেলায় গোসল করেছেন মনে হয়, গরমের দিন।চাচীর চুল ভেজা দেখলাম। সারাক্ষন উনার গায়ে সুন্দর একটা মায়াবী ফুলের ঘান, আমার পরিচিত নয়। আসতে আসতে রাত দশটা বেজে গেল।

কিরে খাইছস। ?? মায় জিগ্যেস করল।

হুম খাইয়া আসছি।

তয় থাইক্যা যাইতি আর ভরা পেটে অতদুর হাইট্যা আওনের কি দরকার।

আইচ্ছা কালকে থাইক্যা থাকুম নে।

আমি আমার ভার্সিটির একটা বই নিয়া যাই সন্ধ্যা বেলায়, সুমনের পরা হইয়া গেলে ও খাটে ঘুমাইয়া পড়লে আমি টেবিলে বসে ল্যাম্প নিয়ে পড়তে বসি, খাওয়া দাওয়া সেড়ে এরকম পড়তে বসেছি, কারন সেকন্ড ইয়ার ফাইনালে আমার পজিশন প্রথম রাখতেই হবে। আমার আর সুমনের একটিই পড়ার টেবিল বাড়ির পিছন দিকে বারান্দার জানালার উপর। অর্থাৎ বাড়ান্দায় দাঁড়িয়ে রুমের ভেতরে দেখা যায়, আবার দরজা আছে দরজা খুলে আসা যাওয়া করা যায়। বাড়ীটার সামনে পিছনে একই রকম সেয়ারিং বারান্দা। লম্বা।


সবুজ অহনও পড়তাছো ??


হঠাৎ চাচীর কন্ঠে হকচকিয়ে উঠলাম, দেখলাম, আমার জানালার সামনে চাচী দাঁড়িয়ে আছে। সুনসান নীরবতা। অনুমান রাত এগারটার মত হবে। গ্রামের পরিবেশ, এতেই পিনড্রপ সাইলেন্স, কয়েকটি গরমের ঝিঝি পোকার কিইই কিইই ডাক ছাড়া আর কিছুই না। চাচীর গায়ে দেখলাম অফ হোইয়াট কালার আর সবুজ পাড়ের একটা সুতী শাড়ি আর আজকে মায়ের বানিয়ে দেওয়া সেই বড় গলার ব্লাউজটা।

পড় ,পড়- বলে দেখলাম চাচী একটা মুচকি হাসি দিয়া চলে গেলেন নিজের রুমের

 দিকে, যাবার বেলায় আচল টানতে গিয়ে আবার সেই বিশাল দুটো স্তন সম্ভার এর জানান দিলেন, এবার যেটা যোগ হয়েছে বড় গলার কারনে দুই স্তনের মাঝে বিশাল এক খাজ । বেশ কয়েক মিনিট কেটে গেল, আমার মাথায় মনে হয় একটা

 বিষ্ফোরন ঘটে গেল। আমি সহ্য করতে পারলাম না। টেবিলল্যাম্প টা অফ করে দরজাটা আস্তে খুট করে খুললাম, যেন সুমনের ঘুমটা না ভেঙ্গে যায়। বারান্দায় আসতেই দেখলাম চাচী রুমে চলে যাননি, উনার রুমের পিছনে বারান্দায় দুটো চেয়ার রাখা উনি সেখানে বসে আছেন। আমি ধীর পায়ে কাপা কাপা শরীরে কাছে গিয়ে দাড়ালাম ।


কিছু বলবেন চাচী।


না না গরমে ঘুম আসে না, তাই গোসল করলাম, আর তোমার মার বানানো নতুন ব্লাউজটা পরলাম।


আমার মার বানানো, মার কাস্টমার তাই, প্রশংসা করে বললাম,


হুম চাচী খুব সুন্দর হইছে ব্লাউজটা।

রাতের রানী: নিয়ন্ত্রণ নারীর হাতে, নারী সঙ্গী যৌন আকাঙ্ক্ষায় পরিপূর্ণ, রানীর কৌশল ও পদ্ধতি গুলো সম্পন্ন পড়ুন Click Here

ও মা ছেলে বলে কি, তুমি তো দেখই নি, আমার কাপড় দিয়ে ঢাকা। বলে চাচী শাড়ীর আচল সরিয়ে ডান পাশ ও ডান বাহু উনুক্ত করে দিলেন। বারান্দায় আবছা অন্ধকার, আমি বললাম অন্ধকারে কি দেখা যায়। জানালার পাশে দাড়াইছিলেন সময় টেবিল ল্যাম্পের আলোতে অল্প একটু দেখছিলাম। আমিও হে হে করে হালকা হেশে দিলাম।


কি বেশী আলোতে দেখতে মন চায়। মার বানানো ব্লাউজ টা ?? রহস্যময় হাসি দিয়ে বললেন।


কোন ছেলের না ভালো লাগে মায়ের বানানো জিনিস। — উত্তর মনে হয় আল্লাহই বানায়া দিতাছে, মনে হলো এটা আমার মুখ না।


চল তাইলে আমার রুমে। দেখি কেমন প্রশংসা করো মার বানানো ব্লাউজের।


আমি কি ভুল শুনছি নাকি, শরীর কাপুনি দেওয়া শুরু করল। এই কয়দিনে চাচীর সাথে খুব ফ্রেন্ডলি একটা সম্পর্ক হয়েছে, ভার্সিটির ছেলে মেয়েরা, তাদের

 প্রেম,ঢাকার কালচার সব চাচী মন্ত্রমুগ্ধের মত শুনছেন, আর চলাফেরার সময় অতিরিক্ত পাওয়া হিসাবে চাচীর দেহবল্লরীর নাচ, বুকের দুলুনি এগুলো, অধিক গরমে প্রায়শই আমার সামনে চলাফেরার সময় দুইহাত তুলে একরাশ লম্বা চুলের

 খোপা করা, দারুন বিভঙ্গ, কিন্তু কখনো এরকম চাচীর শোয়ার রুমে চলে যাওয়ার অফার !! ভাবতেই পারিনি। তাই কাপুনি তে মরি আর বাচি আজ আমি চাচীর বুকের ভান্ডার খালি করবোই। মনস্থির করলাম।


সবুজ তুমি তো দর দর কইরা ঘামতাছ। -রুমে ঢুকে আমাকে দেখে চাচী হেসে বললেন।


গরম খুব চাচী,


গোসল করবা ? 


না ?


থাক গোসল করতে হইবো না, চাচী বাথরুমে ঢুকে পানি দিয়ে উনার গামচা ধুয়ে চিপে আমার কাছে দিলেন আমি সেটা নিয়ে মুখে মুছলাম, অনেক প্রশান্তি দায়ক। গামছাটার মধ্যেও ফুলেল সুবাস। উনি গামছাটা আবার বাথরুমের রডে রেখে আসলেন।


ধুর দেখি এইটা খুল।- আমার কাছে এসে আমার টি শার্ট ধরে টানদিলেন উপরের দিকে আমি একটু লজ্জা পেলাম।


পুরুষ পুলার আবার লজ্জা।

  লিং,গ চো,ষতে কেমন লাগে জেনে নিন..!!

আমার বুকের ঘন লোমের দিকে চাচী তাকিয়ে রইলেন। রুমটা টিউব লাইটের আলোতে আলোকিত। সব দরজা জানালা লাগানো। ফ্যানের বাতাস গুমোট গরম। আমি খাটের উপর বসলাম। আমার পাশে এসে চাচী বসলেন, চুল ছুটে গেছিল সেটা

 আবার খোপা করলেন। সুন্দর মাতাল করা একটা সুগন্ধ। এবার চাচী উঠে দাড়ালেন। আমার দিকে পিছন ফিরে শাড়ির আচল সরালেন। ব্লাউজের পিঠটা গলার মত এত বড় না, কিন্তু সুন্দর কাপড়ের নীচে নিতম্ব ও পিঠের মসৃন তক দৃশ্যমান।


কেমন হইছে সবুজ। তুমি তো ইউনিভার্সিটিতে পড়, কত সুন্দর সুন্দর, মেয়ে দেখ, এই গেরাইম্যা চাচীরে কি আর সুন্দর লাগবো হেদের মতন।


কি যে বলেন না চাচী। ইউনিভার্সিটির মেয়েরাও কিছু না আপনার সুন্দরের কাছে।


উনি বিস্ময়ে আমার দিকে ঘুরে তাকালেন।

নতুন বিয়ের পরে  অতিরিক্ত মিলন ফলে বা বা*চ্চা নেয়ার পরে গুদ ডিল হয়ে যায়,  মিলন করে কোন ফিল আসে না,  ডিলা গুদ টাইট করার এর ব্যায়াম)  জানতে এখানে ক্লিক করুন

কি !! আমি সুন্দর হেদের চাইতে, তোমার মাথা ঠিক আছে তো মিয়া। চাচী কি ভুলে গেলেন বুকের কাপড় তুলতে।


খুব সুব্দর হইছে চাচী, ব্লাউজটা। কিন্তু এত বড় গলা না দিলেও পারতেন।


চাচী দেখলাম শাড়ী জড়ালেন না গায়ে অই অবস্থাতেই জিগ্যেস করলেন


কিভাব আমি তোমার চোখে সুন্দর হইলাম শুনি ।


আমি তো উনার বিশাল স্তনের খাজে তাকিয়ে কথা আটকে যাবার যোগাড় , উনার মুখের দিকে তাকালাম, উনি মুচকি মুচকি হাসতাছেন।


-বড় গলা দিসি হেইডার কারন আছে, আগে কউ আমি কেমনে এত সুন্দর। পৃথিবীর সব মেয়েরাই আসলে সুন্দরের প্রশংসা শুনতে চায়, সুন্দরী মেয়েদের তো কথাই নাই।


আপনার রঙ, আপনার গায়ের রঙ টা চাচী অপুর্ব, কোন মেয়ের আমি এত সুন্দর দেখি নাই। আপনার উচ্চতা। আপনার বডি। বলে থেমে গেলাম।


দেখি চাচী মুচকি মুচকি হাসছেন।


আর কি?


আরেকটা আছে চাচী কিন্তু বলা যাইবো না।


কেন সবই তো কইলা আর কি ??

সাহস করে বলেই ফেললাম -চাচী আপনার বুক। আমি এত বড় বুক আর কাউর দেখি নাই। লজ্জায় মুখ নীচে নিলাম।


ওমা ছেলে কয় কি, এই তোমারে তো আমি সাদাসিদা একটা ভালো ছেলে হিসাবে জানতাম, অহন তো দেখি একবারে সাদাসিদা না।

তুমি জানো কেন মেয়েদের বুক বড় হয় ?

না

অনেক কষ্ট এইটা জানো ?


কি কষ্ট চাচী ?? আমি মুখ তুলে তাকালাম ।

আমার মেয়েটা মারা গেছে দুইমাস আগে।

শুনছি চাচী।

ও তো দুধ খাইতো, আমার বুক এখন দুধের ভারে বড় দেখা যায়, অনেক ব্যথা হয়, টন টন করে। চিইপ্যা সব দুধ ফালা যায় না, একটু আগে জিগাইছিলা না ? ব্লাউজ এর গলা বড় কেন বানাইছি, দুইটা বুতাম খুইলাই যেন দ্রুত দুধ ফালাইতে পারি।


চাচী আপনার বুকের উপরে নীল শিরা জালের মত স্পস্ট দেখা যায়।


এইগুলা বেশী ফুইলা গেলে শিড়াগুলাও স্পস্ট হইয়া উঠে, চামড়া টাইট হইযা যায়।


খুব ব্যথা করে না চাচী।


খুব। আমার মেয়েটা গেলগা, হেই কষ্ট টা আরো বেশী। বলেই চাচী কাদতে লাগলেন, কখন যে চাচীর হাত থেকে আচল খসে ফ্লোরে পড়ে গেছে, উনি দাঁড়িয়ে আছেন, খোপা মাথা চুল, ব্লাউজ গায়ে, ফেটে পড়ছে দুই স্তন, আর পেটিকোটের উপরে প্যাচানো শাড়ির বাকি অংশ, কিছু ঘটনা মানুষ ঘটায় আর কিছু নিয়ন্ত্রন

 করে সৃস্টিকর্তায়। আমাকে কে যে ইশারা দিল আমি জানি না আমি উঠে সোজা চাচীর কাছে গিয়ে, সামনা সামনি দাড়ালাম। গন্ড দেশের পানি মুছলাম । উনাকে

 ঠেলে পিছিয়ে নিয়ে ড্রেসিং টেবিলের টুলটা কে সরিয়ে টুলের উপর বসালাম।শাড়ি পড়ে আছে ফ্লোর জুড়ে। আমি বুকের খাজে চুমু খেলাম। শিরা গুলোর উপর আংগুল চালালাম।

ব্যথা ?

নিঃশব্দে মাথা নাড়িয়ে জানান দিলেন। দ্রুত চারটা বোতামের দুটো খুলে ফেললাম।

আর দুটোর তর সইছে না।কোন সময় না জানি চাচী থামিয়ে দেয়, আমি জানি একবার মুখে নিয়ে নিলে আর না করবে না।

দুইপাশে হাত ঢুকিয়ে একটা হ্যাচকা টান দিলাম। চাচী কেপে উটল, বোতামগুল ছিটকে গেল, ধপ করে দুটো বড় বড় স্তন চাচীর নাভী পর্যন্ত ঝুলে পরল, কিন্তু অনেকফুলা ও শক্ত বড় বড় নিপল। কপ করে একটা মুখে নিয়ে আগ্রাসী চোষা দিলাম।


আহ- করে উটলেন চাচী, আমি চোখ বন্ধ করে চুষতে লাগলাম, চাচী পালা করে একবার এইটা ও আরেকবার অন্যটা দিতে লাগলেন। মিষ্টি দুধে আমার পেট ভরে যাচ্ছে। বাছুরের মত আমার গোত্তা খেয়ে টুলের উপর টিকতে মা পেরে পরে

 যাচ্ছিলেন, উনি উঠে আমাকে হাত ধরে বিছানায় নিয়ে গেলেন। বিছানায় উঠার সময় অবাক করা একটা কাজ করলেন, একটানে উনার শাড়ীটা পেটি কোট

 থেকে খসিয়ে মেঝেতে ফেলে দিলেন। গায়ে শুধু পেটিকোট ও বোতাম ছিড়া ব্লাউজ দুই পাশ থেকে ঝুলে রইল। এই চার পাচ কদমেই উনার দুধ মেন্ডুলামের মত দুলছিল। উনি চিত হয়ে শুলেন। আমি পাশে শুয়ে চুষতে লাগলাম। চকাশ

 চকাশ অথবা জোরে টেনে ছেড়ে দিলে ফক করে শব্দ হতে লাগল, উনি আমার মাথায় হাত বুলাতে লাগলেন মাঝে মাঝে ইস করে হিসিয়ে উঠেন। আমার একটা কনুই এ ভর দিয়ে চাচীর বিশাল বিশাল দুধ চুষতে হচ্ছিল। একটু অসুবিধা।

স্ত্রী সন্তুষ্ট না, আপনার পুরুষাঙ্গ যদি ছোট হয়ে থাকে, তাহলে আপনার পুরুষাঙ্গটি আপনার স্ত্রীর কাছে বড় অনুভব করানো সম্ভব এ আসনটি প্রয়োগ করে সম্পন্ন পড়ুন এখানে ক্লিক করতে পারেন..!

আমার উপরে আসো সোনা। ফিস ফিস করে বললেন।


আমি উপরে যেতেই উনি পেটিকোট গুটিয়ে দুই পা ফাক করে দিলেন, চোষা দিতে লাগলাম। হঠাৎ লক্ষ্য করলাম, চাচী তার যোনী আমার ট্রাউজারে ঢাকা শক্ত ধোনের নীচে ঘসছেন। আমি চোষা থামিয়ে মুখের দিকে তাকাতেই উনি হেসে দিলেন। আমি মুখ এগিয়ে দিলাম, আমার মুখে খাওয়ার পরে ব্রাশ করা পেস্টের গন্ধ, আর চাচীর মুখে সুন্দর পান জর্দা।

চুমুটা খেয়েই মুখ সরিয়ে বলল এইমাত্র ব্রাশ করছ না ?

হুম, কেন খারাপ লাগে?

না বলেই আমাকে একবারে অক্টোপাসের মত জড়িয়ে ধরে চুমু খেলেন, জিহবা ভেতরে নিয়ে দম বন্ধ করা চুমু। হঠাৎ আমাকে ঠেলে চিত করে ফেলে দিলেন। চাচী উঠে বসলেন, খোপা কখন খুলে গেল, ব্লাউজের ভেতর দিয়ে দুধ ঝুলে আছে, ব্লাউজটা মাথার উপর হাত গলিয়ে খুলে ফেললেন। সুন্দর বাদামী শরীর, দারুন ফর্সা ফোলা ফোলা কামানো মসৃন বগল, এই প্রথম আমি আমার জীবনে সুন্দর বগল

 দেখলাম। আমার মা ও আপন চাচীদের এত সুন্দর নয়, কেমন কালচে । চাচী আমার উপর উপুর হয়ে আমার বুকের লোমে মুখ ঘশতে লাগলেন, আমার শরীর

 ঘেমে বিশ্রী একটা পুরষালী গন্ধ তৈরী হয়েছে। তিনি আমার হাত পিছনে নিয়ে আমার চার মাস না কামানো লোমশ বগলে চুমু খেলেন, চাটলেন। আমি হে হে করে কাতু-কুতুতে শরীর কুকড়িয়ে দিলাম।


চাচী কি করেন বিশ্রী গন্ধ ঘামের।

আমার কাছে পুরুষের গন্ধ পাগল লাগে । (এই পাগল লাগা শব্দের অর্থ অত্যধিক পছন্দের) । তুমারে ত সেই দিন তুমার বাড়ীতে খালি গায়ে দেইখাই আমি উচাটন হইয়া গেছিলাম। এত লোম তোমার শরীরে। তোমার চাচার গায়ে নাই। সীমারের মতন

মা যেমন সন্তানকে আদর করে তেমনি আমার সারা শরীরে আদর করতে লাগলেন। মাঝে মাঝে উপর থেকে দুধ চেপে ধরেন আমার মুখে এখনো হালকা দুধ আসছে। পুরো খালি হয়নি।

ব্যথা কমছে চাচী।

হুম। কিন্তু আরেক ব্যাথা তো উঠছে।

কি?

কোমরের ব্যাথা । বলে উনি আমার গুলিস্থানের মোড় থেকে সত্তর টাকায় কেনা ট্রাউজারের উপর থেকে আমার অঙ্গে হাত দিলেন, ভিতরে হাত নিলেন। যেন লোহার ডান্ডা।

অল্প বয়েস হইলেও তো জিনিস বড় পাক্কা মানুষের লাহান। আমি যেন গ্রীন সিগন্যাল পেলাম।

বীর্যুর স্বাদ মিষ্টি ও সুস্বাদু করতে কি কি খাবেন সম্পন্ন পড়ুতে এখানে ক্লিক করুন

তবে রে হারামজাদী, বলেই আমি চাচী কে চিৎ করে বিছানায় ফেলে দিলাম। পেটি কোট সমেত দুই পা ফাক করতে যেতেই তিনি বললেন

রাখ রাখ !! রে গোলামের পুত, তর চাচা নাই, আমারে কি কলঙ্কিনী বানাইবি ??

চাচী উঠে দাড়ালেন, বিছানা থেকে নেমে ওয়ার্ডবের কাছে গেলেন আমিও লাফ দিয়ে তার পিছনে গিয়ে দুধ চেপে ধরে পিঠে ঘাড়ে চুমু খেতে লাগলাম, দুটো কনডম নিয়ে আমাকে ঘুরে আবার চুমু দিয়ে ট্রাউজারের ভিতরে আমার অঙ্গে হাতাতে লাগলেন। 


খুল এইটা। আমি পরায়া দেই, তর চাচার রাইক্ষ্যা যাওয়া কনডম।


আমি এক ঝটকায় ট্রাউজার খুলে মেঝেতে ফেলে দিলাম। আমার অঙ্গ খাড়া হয়ে দুলতে লাগল। উনি দাত দিয়ে কনডমটা ছিড়ে নিজ হাতে হাটূ গেড়ে পড়ালেন,

 অবাক করে দিয়ে আমাকে আরেকটা ছিড়ে পরালেন, দুটো কনডম আমার অঙ্গের গোড়া চেপে ধরে শক্ত হয়ে রইল। অনুভুতি হীন। ( পরে রোজী চাচী আমাকে দুটো কনডম পরানোর কারন বলেছিল)


উনি বিছানায় পড়তেই আমি ঝাপিয়ে পড়ে উনার পেটিকোট কোমরের উপরে তুলতেই অবাক হলাম, উনার বগল যেমন নির্লোম পরিষ্কার তেমনি উনার যোনী

 ঠিক তার বিপরীত। মনে হয় কয়েক বছরের জঙ্গল। আমি ঘষাঘষি করতে লাগলাম, রাস্তা পাওয়ার জন্য, উনি নিজের দুই হাত বাড়িয়ে এক হাতের


 আঙ্গুল দিয়ে ফাক করে আরেক হাত আমার অঙ্গের মাথা ধরে সেট করে ইশারা দিলেন, আমি একটা ঠেলায় পুরোটা গেথে দেওয়ার পরে, হুরমুর করে চাচীর বুকের উপর পড়ে গেলাম, দুজনে একে অপরের দিকে চেয়ে সেকি হাসি, হাসতে হাসতে দেখলাম চাচীর চোখ দিয়ে পানি পরছে আমি চুষে পানি টা খেয়ে নিলাম।

ছেলেরা মেয়েটির স্তন হাতের কাছে পাওয়া মাত্রই এমনভাবে টিপা শুরু করে যেন ময়দা মাখাচ্ছে, কয়েকটি ভুল যা ছেলেরা সেক্সের সময় করে থাকে সম্পন্ন পড়ুন Click Here 


কনডম আমার পেনিসে এতটা টাইট হয়ে লেগে ছিল যে আমার ধোন কে আমার

 ধোন মনে হয়নি মনে হয়েছিল এটা একটি বাইরে থেকে লাগিয়ে দেওয়া রাবারের পেনিস, তাই সহজে বীর্যপাত হচ্ছিল না, প্রথম বারেই আমি প্রায় ঘন্টা খানেক চাচিকে নিয়ে খেলেছিলাম, চাচিও আমাকে নিয়ে খেলেছে, এ যেন রাগবী খেলা,

 কাবাডি হা ডু ডূ। কত প্যাচ কত কি। চাচীর ভেতরে ডুকিয়ে রেখে আস্তে আস্তে কোমর চালনা করে কত গলপ, কৌতুক, জোকস শুনে চাচীর সেকি হাসি, হেসে আমাকে চুমু আর চুমু। চাচীও আমার উপরে উঠেছে ধীরে ধীরে বাইসাইকেল চালিয়েছে চাচী, আবার কোন সময় ঘোড়া দৌড়ানোর


 মত ঝাকুনি দিয়ে( বিস্ময়ে আমার প্রথম অভিজ্ঞতা) চাচীই আমাকে শিখিয়েছে পিছন থেকে কিভাবে চাচা কুকুরের মত করে, সেভাবে করতে দিয়েছে, নরম বড় নিতম্ব দুর্দান্ত মজা।এতে নাকি চাচীর মজা লাগে না, কিন্তু আমি যেন মজা পাই তাই শিখিয়ে দিয়েছেন আমাকে। আমি চাচীর বগলে অসংখ্যবার


 চুমু খেয়েছি আমার শরীর থেকে বোটকা গন্ধ আর চাচীর শরীর থেকে পেয়েছি ফুলের সুবাস। একবার মার বানানো চাচীর নতুন বয়েল কাপড়ের ব্লাউজটা বিছানা থেকে নিয়ে আমার কপাল, ঘার ও চোখের উপর থেকে টপ টপে ঘাম মুছে দিতে দিতে চাচী বলেছিল।

-মা কে কাল আরো কাপড় দিয়ে বলব এরকম আরো দুইডা ব্লাউজ বানায়া দিতে।

মা !!

হরে গোলামের পুত , তর মা আমারও মা, এরকম একজন মুরুব্বীরে ভাবী ডাকতে কেমন লাগে !!

বলে আমার মুখটা চুমুতে চুমুতে অস্থির করে দিয়েছিল। আমি আর রোজী মিশে রইলাম একই দেহে যেন।

সমাপ্ত।।।।।। 

বৌদিদের ডিরেক্ট ULLU Wedseries Free Video গুরুপে এখানে ক্লিক করুন Free Video Group Click  Here

👇👇👇Story 2 👇👇👇

যৌনিতে চুলকানি 

.

পাঠক আমি রোকসানা। আমি আমার আরেকটা সত্যি ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই। আমি প্রায় অসুস্থতায় ভুগতাম। তথন বাড়ীতে আমার স্বামী না থাকায় প্রচন্ড যৌন উত্তেজনা মাঝে মাঝে উপলব্ধি করতাম। যৌনতার অদম্য

 আকাংখা দমন করতে করতে আমি এক প্রকার ভয়ংকর রোগগ্রস্থ হয়ে পরতে শুরু করি। জরায়ুতে এক প্রকার চুলাকানির উদ্ভব হয়।যখন চলকানি শুরু হয় মনে হয় তখন পৃথিবীর সব বাড়া আমার সোনায় ঢুকিয়ে প্রচন্ড বেগে খেচিয়ে দিই।



কিন্তু নারীর বুক ফাটে মুখ ফাটেনা। তখনো আমার চাচা শশুর আমাকে চোদন শুরু করেনি। চাচা শশুর রফিক প্রথম কখন কিভাবে প্রথম চোদন শুরু করে সেটা আরেকদিন সুযোগ হলে আপনাদের বলব। জরায়ুর চুলকানিটা বিভিন্ন রোগের

 পাশাপাশি খুব বিব্রত করছিল আমাকে।অনেকের কাছে পরামর্শ চাইলাম। কেউ বলল চুলকানির সময় আমার কাউকে ডেকে নিয়ে যাস ।কেউ বলল বাজার হতে লম্বা বেগুন এনে ভাল করে খেচে নিস।


একজন আরো বেশী দুস্টমি করে বলল। ঘরে তোর চাচা শশুর রফিক থাকতে তোর চুলকানির কথা নিয়ে এত ভাবতে হয় কেন? কথাটি আমার মনে ধরেছিল কিন্তু উপায় নাই তাকেত ডেকে বলতে পারিনা চাচা আমায় একটু চোদে দেন। হ্যাঁ সে

 যদি কোনদিন আমায় ধরে চোদে দেয় বাধা দেবনা সে প্লান আমার আছে। কেউ বলল ডাক্তার দেখা ভাল হয়ে যাবে। একদিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় সরকারী হাসপাতালে গেলাম। ডাক্তার যৌন ও চর্ম বিশেষজ্ঞ।

বয়স ৪২ এর বেশি হবেনা ডাক্তারের। ডাক্তারের চেম্বারে আমি সালাম দিয়ে ঢুকলাম। রুমে ডাক্তারের কাছে সবাই পুরষ মহিলা রোগি নাই আর সবাই যৌনরোগে ভুক্ত বলে মনে হল। আমাকে দেখার এক পর্যায়ে আমার দুধের উপর এসে তার চোখ স্থির হল। আমার স্তনগুলো যে কোন পুরুষের দৃষ্টি


 আর্কষন করে সে কথা আবারও একবার বুঝে গেলাম। ডাক্তার এক এক করে সকলকে বিদায় করে আমাকে ডাকলেন আমার সমস্যার কথা জানতে চাইলেন। ডাক্তার আগ্রহভরে আমর কথাগুলো শুনলেন। তার পর আমাকে একটা বেডে

 শুয়ালেন। আমার বাম দুধের ঠিক মাজখানে ষ্ট্যাথেস্কোপ বসালেন। আমি না হেসে পারলাম না। আমার হাসি দেকে ডাক্তার মৃদুস্বরে বললেন হাসবেননা এটা দেখতে হয়। ভিতরে বাইরে সব দেখতে হবে তা নাহলে ভাল হবেন কিভাবে।

যাহোক কিছুক্ষন দেখে বলল। আপনি আগামি কাল সকালে আমার পাইভেট চেম্বারে চলে আসেন আপনাকে ভাল করে পরীক্ষা না করে কিছু বলা যাবেনা। 

যদি ভাল হতে চান আসবেন আর না হতে চাইলে আসবেন না। উনার কথায় দৃঢ়তা দেকলাম তাই উনার কাছে চেম্বার চিনে নিয়ে বাড়ী চলে আসলাম।


 তারপরের দিন ঠিক সময়ে উনার চেম্বারে চলে এলাম। চেম্বারে এসে দেখলাম কেউ নাই। ডাক্তার একাই। আমায় দেখে ডাক্তার সাহেব একটু রহস্যময় মুচকি হেসে

 বললেন আরে আপনি এসেছেন। তাহলে ভাল হতে চান? আমি চেয়ারে বসলাম। তিনি বাথ রুমে গেলেন বাথরুম সেরে আমাকে টেস্ট রুমে ডেকে নিলেন। টেস্ট রুমে একটা বেড আছে সেখানে আমায় শুতে বললেন। ডাক্তারের চেম্বারে আমি একা নারী শুতে একটু দ্বিধাবোধ করছিলাম।


নারীদের অর্গাজম দেয়ার সহজ উপর জানতে এখানে ক্লিক করুন

ডাক্তার আমার সেই দ্বিধাবোধকে ভাঙ্গিয়ে দিয়ে তিনি নিজেই আমার কাধ ধরে আমাকে শুয়ায়ে দিলেন। আমি লম্বা হয়ে শুয়ে পরলাম। আমি শুয়ে পরার পর পাশের টেবিল হতে ডাক্তার সাহেব নানান রকমের যন্ত্রপাতি সহ ষ্ট্যাথেস্কোপ হাতে নিয়ে ঠিক আমার বুকে সাথে ঘেষে আমার পাশে এসে বসলেন। তারপর আমাকে

 নানান কথা জিজ্ঞেস করতে লাগলেন- বাড়ীতে আপনার কে কে আছে এক সন্তান। আপনার স্বামী কোথায়? মালেশীয়া। কয় বছর? প্রায় ৯ মাস। যৌনিতে চুলকানি কত দিন যাবত? কোন চিকিৎসা করেছেন? বাহ্যিক কোন ঔষধ লাগিয়েছন নাকি?

চুলকানির মলম বাজার থেকে কিনে লাগিয়েছি। মুচকি হে


সে ডাক্তার বললেন লাগিয়ে কে দিত আপনাকে? লাগিয়ে দেবার মত আমার বাড়ীতে কেউ নাই ডাক্তার সাহেব। বিভিন্ন কথা বলতে বলতে আমার ডান পাশে

 বসে তার ডান হাতকে আমার বুকের উপর দিয়ে আমার বাম পাশে হেলান দেয়। এতে করে তার বুক আমার বুকের সাথে প্রায় কাছাকাছি এসে যায়। দীর্ঘ যৌন উপবাসের কারনে আমার মনে একটা সুড়সুড়িতে সারা শরীরে বিদ্যুতের সক খেয়ে যায়। মনে মনে ভাবলাম ডাক্তার যাই করুক আমি সাড়া দিয়ে যাব।


আজ যদি ডাক্তার আমাকে চোদেও কিছু বলবনা। আমার পরিচিত এখানেত কেউ জানছেনা। আমিও একটু যৌন সুখ পেলাম চিকিতসার পাশাপাশি তাতে ক্ষতি কি?

 ডাক্তার আমার মুখের কাছে তার মুখ নামিয়ে জানতে চাইল- আচ্ছা অনেক রকম পরীক্ষা করব বলে এখানে আসতে বলেছি আমি আপনাকে কারন এগুলো

 হাসপাতালে সম্ভব হতনা। নির্দিধায় সব পরীক্ষা করতে দিবেন? আমি বললাম আপনি যা করবেন আমার ভালর জন্যই করবেন। যেকোন পরীক্ষা করতে পারেন। যেভাবে আপনার ইচ্ছা হয় পরীক্ষা করেন. আমার গালে আদরের ছলে একটা টিপ দিয়ে লক্ষি রোগী আমার বলে উঠে গেল।



ষ্ট্যাথেস্কোপ নিয়ে এবার ডাক্তার পরীক্ষা শুরু করল। চেপে ধরল ঠিক আমার ডান দুধের মাঝখানে। জোরে জোরে আমাকে নিশ্বাস নিতে বলল। বুক ওঠানামা করছে আমার নিশ্বাসের সাথে আর আমার দুধটাকে ডাক্তার ততই চেপে ধরছে। এবার

 একই ভাবে বাম দুধে পরীক্ষা শুরু করে দিল। কিছুক্ষন এস্তন ওস্তন পরিক্ষা করে হতাশার মত ডাক্তার মুখ গোমরা করে আমাকে উঠতে বলল। আমি শুয়া থেকে বসলাম। আমার পিঠে পরিক্ষা শুরু করল। এবারও তিনি হতাশ। আবার শুয়ে দিল।

আমাকে বলল মেশিনে শাড়ী ব্লাউজের উপর দিয়ে কিছু ধরা পরছেনা আপনি যদি মাইন্ড না করেন আপনার শাড়ী ব্লাউজ পরীক্ষার সার্থে খুলা দরকার। খুলবেন একটু? আমি না করলাম না। বললাম ঠিক আছে আপনার যেভাবে ভালো মনে

 করেন তিনি আমার বুকের কাপড় নামালেন আমাকে বসিয়ে আমার ব্লাউজের পিছনের হুক খুলে দিলেন। ব্লাউজ খুলে আমাকে আবার শুয়ালেন। আমি চোখ বুঝে শুয়ে আছি। আবার সেই মেশিন লাগিয়ে পরীক্ষা শুরু হল।

দেহ সুখী পেতে শেই শাদদদ Full  ৩৫ মিনিট অডিও D0wnland l!nk Click Here

টেবিল হতে পিচ্ছিল যাতীয় দেখতে বীর্যের মত কি ঝেন নিয়ে আমার দুস্তনে ঢেলে দিয়ে মাখামাখি করে দিলেন আর বার বার মেশিন বসিয়ে দেকতে লাগলেন। আমি দারুন ভাবে পরীক্ষাটা উপভোগ করছিলাম। তরল জিনিস নাভী এবং তলপেটে মাখিয়ে মাখিয়ে পরীক্ষা করছেন মেশিনটা লাগিয়ে। আমার শরীরের উপরের অংশ একেবারে নগ্ন। আমাকে চুপ দেখে ডাক্তার


 সাহেব আমার দুধগুলোকে নিয়ে আনন্দের সহিত খেলা শুরু করে দিলেন।

আমার একটা দুধ মুখে নিয়ে চোষা শুরু করলেন আরেকটা দুধকে টিপতে আরম্ভ করলেন। আমি একটু আপত্তি করলাম এ কি করছেন। তিনি বললেন আমাকে দেখতে হবে এগুলো করলে আপনার শরীরের অবস্থা কেমন হয়। বাধা দিবেন না।

 আপনি বললেন যেটা দরকার সেটা করে নিতে। আমি চুপ হয়ে গেলাম। পাগলের মত চোষতে লাগল আর টিপতে লাগল। আমার শরীরে ঢেউ খেলে গেল। আমি ডাক্তারের মাথাকে আমার দুধের উপর চেপে ধরলাম।


কিছুক্ষন চোসার পর ডাক্তার মাথা তুলে বলল এইত আপনি ঠিক আছেন। 

আর সামান্য পরীক্ষা হবে। এ বার ডাক্তার তার জ্বিব দিয়ে আমার নাভী ও পেটে লেহন শুরু করে দিল।আমি চরম উত্তেজনায় কাতরাতে শুরু করে দিলাম। আহ ইহ উহ শব্ধগুলো নিজের অজান্টে আমার মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করল। 

তিনি আমার শরীরের নিচের অংশ উলঙ্গ করে বললেন। পাদুটোকে উপরের দিকে তুলে ধরে রাখুন। আমি তাই করলাম। তিনি বললেন হাই হাই করেছেন কি সব পানি ছেরে দিয়েছেন। আমি বললাম কি করব স্যার পানি যে দীর্ঘ দিন বাঁধা ছিল আজ

 বাঁধ ভেঙ্গে গেছে ডাক্তার সাহেব লম্বা গোলাকার কি একটা নিলেন। তাতে তরল বীর্যের মত কি যেন মাখিয়ে আমার সোনার মুখে লাগালেন।


সোনার ঠোটে উপর নীচ করতে লাগলেন। আমি আর পারছিলাম না। দুপাকে আরো বেশী ফাক করে দিলাম।লম্বা বস্তুটি একটু ঢুকিয়ে আবার বাইর করে আনলেন। আবার ঢুকালেন এবার ঐটা দ্বারা খুব দ্রুতগতিতে ঠাপানো শুরু করলেন। আমি মাগো কি আরাম হচ্চে গো। আমি মরে যাব। স্যারগো জোরে মারেন গো। বলে বলে চিৎকার করতে লাগলাম। কিছুক্ষন এভাবে ঠাপিয়ে


 বস্তুটা বাইর না করে আমার পা নামিয়ে সোজাভাবে শুয়ায়ে দিল। এবার টার লম্বা ধনটা আমার মুখে লাগিয়ে দিল। আমি পাগলের মত চোষতে লাগলাম। স্যারের বিশাল ধন যেমন লম্বা তেমন মোটা। আমার সমস্ত মুখ পুরে গেল।মুন্ডির কারাটা বেশ উচু। দেকে আমার মন শীতল হয়ে গেল। এমন একটা ধনের চোদন খাব বলে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছিল।


আমি উনার ধন চুষছিলাম আর অন্ডকোষ দুটা নিয়ে হাতে খেলা করছিলাম। তিনি আহ উহ ইহ শব্দ করতে লাগল মাত্র কয়েক মিনিট চোষার পর তিনি ধনটা বাইর করে নিয়ে আমার সোনার মুখে লাগালেন আবার সোনার ঠোটে জোরে জোরে উপর নীচ করতে লাগলেন। আমার সহ্য হচ্ছিলনা জোরে চিৎকার করে বললাম স্যারগো এবার ঢোকান নাইলে আমি কেদে ফেলব। আসলে আমি কেদেই ফেলেছি। ডাক্তার সাহেব এবার জোরে একটা ঠেলা

যাদের অনেক বড় গল্প পড়তে ইচ্ছে করে না, তাদের জন্য অডিও করে এই Telegram গুরুপে দেয়া হবে..!!! Click Here জয়েন্ট হয়ে থাকুন.!!

 দিয়ে পুরো ধনটা আমার সোনায় ঢুকিয়ে দিলেন আমি আহ করে দুহাত দিয়ে তাকে জড়িয়ে আমার বুক ও দুধের সাথে চেপে ধরলাম। তিনি আমার ডান দুধ চোষছে। বামা হাত দিয়ে অন্য দুধ মলছে আর বাড়া দিয়ে সমান তালে আমার সোনায় ঠাপাচ্চে আহ চোদন কাকে বলে-আমিও থেমে নেই নিচ থেকে ঠাপ দিচ্ছি আর আহ ইহ করে চোদনময় ঝংকার তুলছি।

অনেকক্ষন ঠাপানোর পর তিনি শরীর বাকিয়ে আহ আহ ইহ ইহ করে গল গল করে আমার সোনায় মাল ছেড়ে দিলেন। তার পর তিনি উঠে গিয়ে বললেন তোমার যাবতীয় পরীক্ষা শেষ হল। ডাক্তার আমায় কিছু ঔষধ লেখে দিলেন আর বললেন চুলকানি উঠলে পাইভেট চেম্বারে এসে পরীক্ষা করিয়ে ঔষধ নিয়ে যেও কেমন।


 

Comments